করোনা আতঙ্কে মসজিদে বেড়েছে উপস্থিতি!

প্রকাশ: ২০২০-০৩-২১ ০৭:৪৬:২৩

টাইম রিপোর্টঃ

বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস। ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশও এ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পায়নি। শুক্রবার পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০ জন।

এ ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে জনসমাবেশ-ওয়াজ মাহফিল আয়োজনসহ জনবহুল সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে প্রশাসন। একই সাথে করোনার কারণে মসজিদে নামাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত না হলেও সংক্রমণ এড়াতে সতর্কতার পাশাপাশি জামাতের পরপরই মসজিদ ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

করোনা সংক্রমণ এড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মসজিদসহ উপাসনায়গুলো বন্ধ রয়েছে। কিন্তু করোনা আতঙ্কের মাঝেও বাংলাদেশের মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের উপস্থিতি বেড়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বিশ্বের সব দেশকে সুরক্ষিত রাখতে এবং আক্রান্ত রোগীদের সুস্থতা কামনা করে মসজিদে মসজিদে মোনাজাত করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

শুধু জুমার নামাজই নয়; কয়েকদিন ধরে অন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে মসজিদে উপস্থিতি বেড়েছে মুসল্লিদের। ছোট-বড়, পাড়া-মহল্লার মসজিদগুলোতেও মুসল্লিরা ভীড় করছেন। জামাতের সাথে আদায় করছেন নামাজও। তবে মসজিদগুলোতে পর্যাপ্ত সতর্কতার সাথেই আদায় হয়েছে নামাজ।

মুসল্লিদের অংশগ্রহণ বেশি থাকলেও অনেক প্রধান মসজিদে জুমার নামাজের মাত্র ২০- ৩০ মিনিট আগে খোলা হয় এবং জামাতের পর পরই মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়। একই সাথে জুমার আগে  বিভিন্ন মসজিদ থেকে মাইকে গত ১৫ দিনের মধ্যে যারা প্রবাস থেকে দেশে এসেছেন তাদেরকে মসজিদে জামাতে না আসার অনুরোধ করা হয়। পাশাপাশি মুসল্লিদের বাসা থেকে ওজু করে মসজিদে আসার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

জুমার খুতবার আগে সংক্ষিপ্ত বয়ানে মসজিদগুলোর ইমাম ও খতিবগণ সরকারের পরামর্শ মেনে চলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে করোনা সংক্রমণ এড়াতে উখিয়ার রাস্ত -ঘাট লোকজনের যাতায়াত কমতে দেখা যায় । আতঙ্কের কারণে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া অনেকে বের হচ্ছেন না। পর্যটন এলাকায়ও নেই দর্শনার্থী।  উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা সতর্কতা বিষয়ে মাইকিং করা হচ্ছে। একই সাথে করোনায় আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ :