শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস, অন্ধকার থেকে আলোর পথে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ২০২০-০৬-১১ ১৫:১৮:২১

অন্ধকার থেকে আলোর পথে বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার কারামুক্তিন দিন। ফাইল ছবি।
খাজা খায়ের সুজনঃ
শেখ হাসিনা নামটি আজ বদলে যাওয়া বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। যার হাত ধরে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় নিজেকে পরিচয় করিয়েছে অন্যভাবে, নতুন ভাবে। শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। সারা বিশ্বের কাছে আজ বাংলাদেশ কে নতুনভাবে পরিচয় করে দিয়েছে যার অনন্য মেধা, শ্রম, ত্যাগ দেশের মানুষের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসা তিনি হচ্ছেন আজকের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

আজ যখন এই লেখাটি লিখছি তখনই খবর আসলো আবারো দ্বিতীয়বারের মতো জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর জোট ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম-সিভিএফ এবং ‘ভালনারেবল টোয়েন্টি’ বা ভি-২০ গ্রুপের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ। যার আগামী ২০২০-২০২২ মেয়াদে এ দুই জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ প্রসঙ্গে মার্শাল আইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাস্টেন এন নেমরা বলেন, “আশা করি, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর পক্ষে কথা বলার ক্ষেত্রে ‘ভাষাহীনদের ভাষা’ হয়ে উঠবে বাংলাদেশ।” আজ সারাবিশ্বে এইরকম নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে তার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে অদম্য নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশকে। আজ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর কারণে বাংলাদেশ কে নিয়ে গেছেন এক অন্য উচ্চতায়।

১১ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের এই দিনে (১১ জুন, মঙ্গলবার) সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। তৎকালীন সেনা-সমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান কালে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার করা হয় দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে। বেশ কয়েকটি মিথ্যা ও সাজানো মামলায় প্রায় দীর্ঘ ১১ মাস কারান্ত্যরীণ করে রাখা হয় তাঁকে। পরে জরুরি অবস্থার মধ্যেই নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের মুখে এবং উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে জামিন দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্ববধায়ক সরকার। শুধুমাত্র ২০০৭ সালের গ্রেফতার শেখ হাসিনার জন্য নতুন কিছু নয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবনের প্রায় ১৫টি বছর কাটিয়েছেন জেল খানার ভিতরে। শুধুমাত্র এ দেশের মানুষের মুক্তির জন্য, এ দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এ দেশের মানুষের জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গিত ছিল। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তাঁকে গ্রেপ্তার করাটাও ছিল গভীর এক ষড়যন্ত্র । এছাড়াও ১৯৮১ সালের ১৭ই মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হয়ে দেশে ফিরে আসার পর থেকে ১৯৮৩, ১৯৮৫, ১৯৯০ ও ২০০৭ সালেও গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। এই সময়টি শেখ হাসিনার আদর্শ ও সাহসিকতার এই সংগ্রাম রাজনীতির ইতিহাসে আজ এক অধ্যায় হয়ে আছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যতগুলো বড় পরিবর্তন ঘটেছিল ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি তার মধ্যে অন্যতম। এই দিনে আবির্ভাব ঘটেছিল তথাকথিত ওয়ান ইলেভেন-এর।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের একতরফা সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে জারি হয় জরুরি অবস্থা। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আবরণে গঠিত হয় সেনা নিয়ন্ত্রিত ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার মেতে উঠে রাজনৈতিক দলগুলো ভাঙ্গাগড়ার খেলায়। রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হননের মত হীন খেলায় মেতে উঠে তারা। যেটিকে বলা যায় বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া। তারা ভুলে গিয়েছিল তাদের দায়িত্ব। ক্রমেই তারা ‘রাজনীতি ও রাজনীতিবিদ শূন্য’ দেশ প্রতিষ্ঠার দিকে পা বাড়ায়। নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও তারা নানা অজুহাতে প্রায় দুইবছর অতিক্রম করে।

আমরা যদি একটু পেছন ফিরে দেখি তাহলে দেখতে পাই, ২০০৭ সালে বাংলাদেশের উপর একটি চেপে বসা অপশক্তি কী প্রতাপে দেশ শাসন করে গেছে! চেপে বসা সেই শাসকদের চাপে পিষ্ট তখন গণতন্ত্র। রাজনীতি যেন গর্হিত অপরাধের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। রাজনৈতিক পরিচয় দিতেও অনেকে কুণ্ঠিত ছিলেন তখন। পাঁচ বছরের জোট অপশাসনের পর চেপে বসা শাসককুল তখন রীতিমতো ত্রাস। রাতারাতি সবকিছু বদলে ফেলার আভাস দিয়ে রাজনীতি থেকে জঞ্জাল পরিষ্কার করার কথা তখন এমন করে বলা হতো, যেন রাজনীতি এক গভীর পঙ্কে নিমজ্জিত। আর এটিকে এ পর্যায়ে নিয়ে আসার অন্যতম কারণ হচ্ছে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের পাঁচ বছরের অপশাসন ও রাজনীতি। আর সেই সুযোগেই চেপে বসে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মোড়কে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’ নামের নতুন এক শাসনব্যবস্থা। ওয়ান-ইলেভেন নামের পট পরিবর্তনের পর সরকার পরিচালনায় আসা এই সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার মাধ্যমে তারা সাহসী রাজনীতির পারিবারিক ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার কুৎসিত-নির্মম ও ভয়াবহ চক্রান্তে লিপ্ত হয়। চেষ্টা করেছে সংকীর্ণ রাজনীতির হীনমন্যতার ছদ্মাবরণে তাঁর ভাবমূর্তি নস্যাৎ করতে।এই উপমহাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে জেল জুলুম নতুন কোন ঘটনা নয়। মহৎ রাজনৈতিকরা কারাগারে বসেই তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করেছেন, এমন অনেক নজির আছে। যার অন্যতম নজির আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জননেত্রী শেখ হাসিনাও নির্জন কারাবাস কালে অলস সময় কাটাননি। কারাগারের নির্জনতাকে তিনি তাঁর সৃজনশীল রাজনৈতিক চিন্তায় সময় পার করেছেন। তাঁর চরিত্রের যে বিষয়টি সবারই নজর কাড়ে তা হচ্ছে তাঁর গভীর প্রত্যয়। দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ জননেত্রী গভীর সঙ্কটেও জনগণের কল্যাণ চিন্তা করেন। সেই চিন্তার প্রতিফলন এরই মধ্যে ঘটেছে। এক স্মৃতিচারণে জননেত্রী শেখ হাসিনা উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার যে পরিকল্পনা, তা সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কারাগারে নিঃসঙ্গ দিনগুলোতেই তৈরি করেছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি কারাগারে বসেই রচনা করেন ‘সবুজ মাঠ পেরিয়ে’ গ্রন্থের প্রথম অংশ।

শেখ হাসিনার ৩৩১ দিন কারানিবাসের প্রত্যেকটা দিন তিনি ভেবেছেন এই বাংলার দুঃখী মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে, গণতন্ত্র নিয়ে এই বাংলাদেশ নিয়ে। জেলখানায় সবসময় ভেবেছেন দেশের গরীব দুঃখী মানুষের কথা। তাঁদের অধিকারের কথা। তিনি জেলখানায় থাকাবস্থায় ২০০৭ সালের আগস্ট মাসের শুরুর দিকে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ তিনি গভীর উদ্বেগ এবং দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এবারের বন্যা ৯৮ এর চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারের একার পক্ষে এ পরিস্থিতি মোকাবেলা সম্ভব নয়। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে দিতে হবে। নইলে বন্যা সামাল দেয়া কষ্টকর হবে।“ [সূত্র: বেবী মওদুদ সম্পাদিত, নিঃসঙ্গ কারাগারে শেখ হাসিনার ৩৩১ দিন। পাতা-৬৫] একই বছরে দেশে ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানলে তিনি জেলখানা থেকে বলেন, ‘দেশে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দলমত নির্বিশেষে সবাইকে অসহায় মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান। বন্দি থাকায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে না পারায় তিনি ব্যথিত।’ এভাবে জেলখানায় বসে তিনি দলের নেতাকর্মীদের কে মানুষের পাশে থেকে কাজ করার দিকনির্দেশনা দিয়ে যান। ০৩ ডিসেম্বর, ২০০৭ দলের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান শেখ হাসিনার সাথে দেখা করতে গেলে তিনি তাঁকে বলেন, ‘আমি ভালো আছি। নিজের জন্য কখনও ভাবি না। তবে দেশের মানুষের জন্য বড় চিন্তা হয়।’

এই ছিলেন শেখ হাসিনা। যিনি কায়মনোবাক্যে সবসময় ভাবেন এই দেশের উন্নতির কথা, মানুষের কথা,গণতন্ত্রের কথা, ন্যায়ের কথা। যিনি সবসময় এদেশ কে আগলে রেখেছেন মায়ের পরম মমতা ও ভালোবাসায়। তাঁর ভাবনার জগৎ জুড়ে কেবলই দেশের জনগণ।

এরপর দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের এই দিনে (১১ জুন, মঙ্গলবার) সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তাঁর মুক্তিতে সেদিন যেন মুক্তি পেয়েছিল গণতন্ত্র। ১১ জুন তাই গণতন্ত্রের মুক্তির দিন। অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার দিন ১১ জুন।

এরপর ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিজয়ের পর ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট আবারও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে একই বছরের ১২ জানুয়ারি টানা দ্বিতীয় ও মোট তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিপুল বিজয়ের সোমবার চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শেখ হাসিনা। চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে রেকর্ড গড়েছেন শেখ হাসিনা।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ক্ষমতায় আসার পর থেকে শেখ হাসিনা তাঁর নেতৃত্বের দক্ষতায় বাংলাদেশ কে এক নতুন রূপ দান করেছেন। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ তাঁর ঘোষিত সবচেয়ে সফল কর্মসূচি । আজকের এই করোনা কালে আমরা ঘরে বসে ডিজিটাল বাংলাদেশের কারণে সবকিছু করতে পারছি। তাঁর অপরিসীম দক্ষতা ও তড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা আমাদের উন্নয়ন কে আরো বেশি বেগবান করেছে।

বিখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ বিশ্বের আট নেত্রীর অবদান বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য’। শেখ হাসিনা তাঁর দেশের করোনাভাইরাস মোকাবিলায় তড়িৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে ক্ষমতা দেখিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। সেখানে আরো বলা হয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে বাংলাদেশ যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা এখনও কার্যকর করতে পারেনি ব্রিটেন। দ্যা ইকোনোমিস্ট বলছে, করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতাও ভারত-চীন কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশের চেয়েও তুলনায় নিরাপদ বাংলাদেশের অর্থনীতি। অনেক পেছনে রয়েছে পাকিস্তান। বিশ্বখ্যাত এই পত্রিকাটি করোনা ভাইরাসের মহামারী পরিস্থিতিতে ৬৬টি উদীয়মান সবল অর্থনীতির দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ৯ম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

শেখ হাসিনার অপরিসীম আত্মত্যাগের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ পেয়েছে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা। শেখ হাসিনার শাসনামলে আর্থ-সামাজিক খাতে দেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। এই দেশের মানুষের তরে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে শেখ হাসিনা এই অতিমহামারীর সময়ে দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘আমি তো এখানে বেঁচে থাকার জন্য আসিনি। আমি তো জীবনটা বাংলার মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে এসেছি, এটাতে তো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয়ের কী আছে!’ সেইদিন ১১ই জুন বাংলাদেশ অন্ধকার থেকে আলোর পথে এসেছিল।

লেখক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা

ট্যাগ :